সুনামগঞ্জে র্যাব-৯ এর পৃথক অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জেলার শান্তিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে শান্তিগঞ্জ উপজেলার উজানীগাঁও এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে চেকপোস্ট বসায় র্যাব। এ সময় MOSKU TRANSPORT নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানোর সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে এক ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন।
পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে তার সঙ্গে থাকা গাঢ় মেরুন রঙের একটি ব্যাগ থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন মো. জসিম উদ্দিন উজ্জ্বল (৩০)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ডোলনা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ছগিরের ছেলে।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর সাকিনস্থ স্বাধীন বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। সুনামগঞ্জ- বিশ্বম্ভরপুর সড়কে চেকপোস্ট চলাকালে একটি সবুজ রঙের সিএনজি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
এ সময় সিএনজির পেছনের সিটে থাকা এক ব্যক্তি র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা কালো রঙের ব্যাগ তল্লাশি করে ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন মো. সোহান মিয়া (২৩)। তিনি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়নের গনকিরপাড় গ্রামের মো. রফিক মিয়ার ছেলে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানিয়েছেন, তারা সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
র্যাব-৯ জানায়, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের এবং জব্দ করা গাঁজা সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পড়ুন : দুর্গাপুরে বরযাত্রীর অপেক্ষায় কনে, বাল্যবিবাহ বন্ধ করল প্রশাসন


