মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে ফটিকছড়িতে ৭কিলোমিটার দীর্ঘ পায়ে হাঁটা র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে । স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময়ে এমন বড় পরিসরের র্যালি এই এলাকায় এই প্রথম হওয়ায় এলাকার সচেতন মানুষ এটিকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করতে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে সাড়ে ৩টায় ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার মোড় থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে ফটিকছড়ি পৌরসভার বিবিরহাট বাস-স্টেশন মুক্তিযুদ্ধ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র্যালি শেষে মুক্তিযুদ্ধ চত্বরে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, “আগামী তরুণ প্রজন্মকে একটি সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ ও ফটিকছড়ি উপহার দিতে চাই। ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের আগে যে কথাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চিন্তা যদি আমরা করি, তাহলে সবার আগে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতন হতে হবে, যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। এই যুদ্ধে আমরা পরাজিত হতে পারি না।”
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষনা, সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত একটি বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যেই সংসদীয় এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী র্যালি করা হয়েছে।
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানরা সন্ধ্যার পর কোথায় যায় এবং কী করে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুশৃঙ্খল, সমৃদ্ধি ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারীদের কোনো স্থান এ অঞ্চলে হবে না। আজ থেকেই এ যুদ্ধ শুরু হয়েছে।”
সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
র্যালিতে অংশ নেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহীম, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান, প্রবীণ বিএনপি নেতা আহমেদ হোসেন তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোবারক হোসেন কাঞ্চন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহির আজম চৌধুরী, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন শাহীন, হামিদ চৌধুরী, নাছির উদ্দীন, মুনসুর আলম চৌধুরী, চেয়ারম্যান শহিদুল আজম, হাসানুল কবির,জুয়েল চক্রবতীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগন, দলীয় নেতা-কর্মীরা, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমাজ, সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষ এবং সর্বস্তরের প্রায় ১০হাজার মানুষ।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

