একটি সেতুর দাবিতে পায়ে হেঁটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন বাবা ও ছেলে। গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাট পর্যন্ত সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণের দাবিতে গত ১৬ আগস্ট শুরু হওয়া তাদের ব্যতিক্রমী লং মার্চ শনিবার (২৯ আগস্ট) ১৩তম দিনে এসে পৌঁছেছে যশোরে।
এ পর্যন্ত তারা গাইবান্ধা থেকে বগুড়া, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ হয়ে যশোরে পৌঁছেছেন। দীর্ঘ পথের ক্লান্তি উপেক্ষা করে প্রতিদিন হেঁটে চলেছেন তারা। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরছেন এবং এ দাবির প্রতি জনসমর্থন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।
বাবা-ছেলের ভাষ্য, বালাসীঘাট ও বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে সড়ক ও রেলসেতু নির্মাণ হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। সহজ হবে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন। কৃষিপণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানোর পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি বাড়বে।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। তাই সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং এই দাবিকে বৃহত্তর জনদাবিতে পরিণত করতেই তারা ব্যতিক্রমী এই পদযাত্রার উদ্যোগ নিয়েছেন।
বাবা-ছেলে জানান, তাদের লং মার্চের চূড়ান্ত গন্তব্য ঢাকা। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ এবং বালাসী-বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণের দাবিতে সেতু ভবনে স্মারকলিপি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
তাদের এই দীর্ঘ পদযাত্রা ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলার মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। পথে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তারা সেতু নির্মাণের দাবিতে জনসম্পৃক্ততা ও সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
পড়ুন : আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস
সা/


