বিজ্ঞাপন

উত্তরায় ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিশেষ পুরস্কার প্রদান

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় উত্তরা ডিএল ফিলিং স্টেশনের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা লুটের চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস মামলার সফল সুরাহা করেছে পুলিশ। এই মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, ডাকাত চক্রের মূলহোতাদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অর্থ ও অস্ত্র উদ্ধারে অনন্য পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ-কে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি এই সফল অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান*ল এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট চৌকস পুলিশ কর্মকর্তাদেরও বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

জানা যায়, গত ৯ আগস্ট ২০২৬ সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর এলাকার ক্রাউন প্লাজার সামনে উত্তরা ডিএল ফিলিং স্টেশনের অর্থ বহনকারী কর্মীদের জিম্মি ও কুপিয়ে জখম করে ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

দিনদুপুরে ঘটা এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. আবদুল করিম বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগের সরাসরি দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে মাঠে নামে বিমানবন্দর থানা ও এয়ারপোর্ট জোনের টিম।

আধুনিক প্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলায় সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। ধারাবাহিক এই অভিযানে চক্রের মূলহোতাসহ একাধিক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে অস্ত্র, গুলি ও লুণ্ঠিত অর্থের একটি বড় অংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ঝুঁকিপূর্ণ ও ক্লুলেস এই মামলার সাহসিকতাপূর্ণ তদন্ত এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অসামান্য নেতৃত্ব দেওয়ায় ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ ও তাঁর টিমের সদস্যদের হাতে এই সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশের এমন উদ্দীপনামূলক স্বীকৃতি মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অপরাধ দমনে আরও বেশি উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পড়ুন: শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন