বিজ্ঞাপন

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবেপ্রাথমিক গণশিক্ষা: প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে। আগামী বছর থেকে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবারের আওতায় আনা হবে। আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চাই। ঝড়ে পড়া শিশু আর আমাদের দেশে থাকবে না।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি” শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন কর্মমালা ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের যন্ত্রপাতি নিয়ে বিগত সময় যেভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে লুটপাট হয়েছে তা আগামীতে আর হবে না বলেও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, দিনাজপুর পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল প্রশাসক।

জেলা প্রাথমিক মিক্ষা অফিস সূত্র জানিয়েছে, কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শুকনো খাবারের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর রান্না করা দুপুরের খাবার (মিড-ডে মিল) সরবরাহ করা।

দিনাজপুর জেলার ৫টি উপজেলার ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। উপজেলাগুলো হলো-কাহারোল, ঘোড়াঘাট, বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৫টি উপজেলার ৬৮ হাজার ৭৬১ হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে।
ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার ৫টি উপজেলার ৩৬৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

পড়ুন : হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর, ভূমি প্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষ

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন