বিগত ১৫ বছর বিএনপির রাজনীতি থেকে ছিলেন দূরে। চলেছেন শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মোড়লের সহযোগী হিসেবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকেই বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন। সাধারণ মানুষের জমির জাল কাগজপত্র তৈরি করে শুরু করেন হয়রানি। চাঁদার দাবিতে মাহবুব হোসেন কবির ব্যবসায়ীর জমিও নিজের দাবি করে বন্ধ করে দেন কাজ। বিএনপির নাম ব্যবহার করে থানায় সাধারণ মানুষকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ করছেন। প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী দিয়ে দিচ্ছেন হুমকি।
আজাদের নানা অপকর্মের কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কামরুল হাসান আজাদ মাওনা গ্রামের মৃত আশ্রাব আলীর ছেলে। তিনি তেলিহাটির মুলাইদ গ্রামে বসবাস করেন। বিগত ১৫ বছর ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম সুবিধাভোগী। তেলিহাটির আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম মোড়লের নানা অপকর্মের সহযোগী। নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবি করলেও গত ১৫ বছরে তাঁর নামে কোনো রাজনৈতিক মামলা হয়নি আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতায় জমি অধিগ্রহণ জালিয়াত চক্রের সদস্য হিসেবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রহস্যজনকভাবে গত বিএনপির মাওনা ইউনিয়ন কমিটিতে আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে জায়গা করে নেন। এরপর থেকেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তিনি।
মাওনা গ্রামের ব্যবসায়ী মাহবুব হোসেন কবিরের ৫০ বছরের ভোগদখলীয় জমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে আজাদ বিএনপির প্রভাব দেখিয়ে কাজে বাধা প্রদান করেন। পরে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে দিয়ে ফোন করিয়ে কাজ বন্ধ করান। এ ঘটনার পর নানাভাবে ব্যবসায়ীকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাও যোগ দিয়েছেন। এতে বিএনপির ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কবির হোসেন বলেন, “জমিটি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দখলে। হঠাৎ করে আজাদ মালিকানা দাবি করে কাজ বন্ধ করে দিতে বলেন। রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।” বিগত আওয়ামীলীগের আমলেও শফিক মোড়লকে দিয়ে এ জমি দখলের চেষ্টা করেছিলেন আজাদ।
এসব বিষয়ে কামরুল হাসান আজাদ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সাথে সকল বিএনপির নেতাকর্মীরা আছেন। তারা শালিস করছে, কিন্তু অন্য একটি পক্ষ তা মানছেন না।
পড়ুন : ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
সা/


