২০২৭ শিক্ষাবর্ষে অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহে মোট ৭৩৯ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার ১৩৯ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অষ্টম শ্রেণির বইয়ের জন্য ২৪৪ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ টাকা এবং নবম শ্রেণির বইয়ের জন্য ৪৯৪ কোটি ৯১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮০ টাকা ব্যয় হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম শ্রেণির মাধ্যমিকের বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের দর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এ জন্য মোট ১০০টি দরপত্রের মাধ্যমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের পর মোট ১৫৪টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে ১৩৪টি দরপ্রস্তাব গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ১০০টি দরপত্রের মধ্যে ৯৮টির বিপরীতে সুপারিশ করা গ্রহণযোগ্য সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বই কেনার সুপারিশ করে।
সুপারিশ অনুযায়ী ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৩টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহে ব্যয় হবে ২৪৪ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, কাগজসহ বাঁধাই ও সরবরাহে গড়ে ব্যয় হবে ৬৩ টাকা ১৭ পয়সা।
এ ক্রয় প্রস্তাবে ৯২টি লটে প্রথম সর্বনিম্ন দরদাতাকে এবং ৬টি লটে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতাকে সুপারিশ করা হয়েছে। বাকি ২টি লটের জন্য পুনঃদরপত্র আহ্বানের সুপারিশ করা হয়।
অন্যদিকে, একই বৈঠকে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির মাধ্যমিকের বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
পড়ুন : ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী


