চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর থানার পাশে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে শাহআলম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আহত শাহআলম উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নের আনন্দপুর এলাকার মৃত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি গরু বিক্রির বকেয়া টাকা চাইতে থানায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গরু বিক্রির বকেয়া ৩০ হাজার টাকা পাওনা ছিল শাহআলমের। ওই টাকা চাইতে তিনি ভূজপুর থানায় যান। সেখানে পুলিশের সামনে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, হামলার ঘটনাটি থানার ভেতরে নয়, থানার পাশে একটি রাইটারের দোকানের সামনে ঘটে।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “পাওনা টাকার ঝামেলায় উভয় পক্ষ থানায় এসেছিল। একপক্ষ অভিযোগ লেখানোর পর অপর পক্ষ অভিযোগ লেখানোর জন্য থানার পাশের রাইটারের দোকানে গেলে সেখানে সবাই মিলে তাকে আক্রমণ করেন। তাদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুর রহমান আহত শাহআলমকে পুলিশের গাড়িতে করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় হামলার অভিযোগে রায়হান, শাহিন, কসাই দেলা ও যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত মুশাররফসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় ও মামলার ধারাগুলো পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয়ের আশপাশে একজন পাওনাদারকে মারধরের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে হামলার কারণ, ঘটনাস্থল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
পড়ুন: আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে দুদক


