প্রথমবারের মতো নারী ক্রিকেটে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন হতে যাচ্ছে। উদ্বোধনী আসরের স্বত্ব পাওয়ার দৌড়ে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাটি তিনটি দেশকে বিবেচনায় নিয়েছিল। সেখানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ছাপিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের দায়িত্ব পেল ভারত।
এর আগে মেয়েদের এই আইসিসি ইভেন্ট হওয়ার কথা ছিল শ্রীলঙ্কায়। তবে সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে সেই দেশ থেকে টুর্নামেন্ট সরিয়ে নেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। অবশেষে সেটাই সত্যি হলো। ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, ৬ দল নিয়ে ২০২৭ সালের ১৪-২৮ ফেব্রুয়ারি ভারতের দুটি ভেন্যুতে (মুম্বাইয়ের দ্য ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া এবং ভারোধারার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম) হবে নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচগুলো।
আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিনটি ভেন্যু মূল্যায়ন করা হয়েছে– বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত। এর মধ্যে গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) আইসিসির বোর্ড ভারতকে অনুমোদন দেয়। বিবৃতিতে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ জানিয়েছেন, ‘আইসিসি নারী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-২০২৭ নারী ক্রিকেটের জন্য একটি রোমাঞ্চকর নতুন অধ্যায়ের সূচনা। টুর্নামেন্টটির উদ্বোধনী আসর হিসেবে এটি বিশ্বের সেরা দলগুলোকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উচ্চমানের একটি প্রতিযোগিতায় একত্রিত করবে।’
‘পাশাপাশি র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান উন্নত করতে এবং বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে দলগুলোর জন্য আরও বড় অনুপ্রেরণা জোগাবে। এখন থেকে প্রতি বছরই আইসিসির একটি বড় মাপের নারী টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে নারী ক্রিকেট, এর খেলোয়াড় এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের জন্য আরও গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা আনার এবং খেলার জগতে একটি বলিষ্ঠ ছন্দ গড়ে তোলার এক দারুণ সুযোগ আমাদের সামনে তৈরি হয়েছে’, আরও যোগ করেন আইসিসি প্রধান।
এদিকে, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) বর্তমানে সরকার-নিযুক্ত একটি ‘ট্রান্সফরমেশন কমিটি’র মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যাদের ওপর সংস্থার গঠনতন্ত্র ও প্রশাসনিক কাঠামোয় সংস্কার আনার দায়িত্ব ন্যস্ত রয়েছে। আইসিসির নীতি অনুযায়ী, রাজনৈতিকভাবে নিযুক্ত কোনো অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন পরিচালনার অনুমতি নেই। এর আগে শ্রীলঙ্কা ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক স্বত্বও হারিয়েছিল, তখন টুর্নামেন্ট সরিয়ে নিতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়।
পড়ুন : এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে নারী ফুটবল দল ঘোষণা


