বিজ্ঞাপন

আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলে ভূমি সেবায় পরিবর্তনের ছোঁয়া

বিজ্ঞাপন

ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল। ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্পনির্ভর এই এলাকায় প্রতিদিনই ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে আসেন অসংখ্য মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সেবাপ্রার্থীদের চাপ থাকলেও সম্প্রতি ভূমি অফিসের কার্যক্রমে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন।

গত ১৮ জুলাই সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে মোঃ মহিবুল্লাহ আকন যোগদানের পর থেকেই ভূমি সেবায় গতি আনতে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১মাস ১৬ দিনের মধ্যেই ফাইল জট নিরসন, দ্রুত নামজারি নিষ্পত্তি এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।

ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও দেওয়া হচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নাগরিকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি জবাবদিহিতার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিবুল্লাহ আকন বলেন, জনগণই রাষ্ট্রের মালিক, আর সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক। তাই কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া নাগরিকরা যেন তাদের কাঙ্ক্ষিত ভূমি সেবা পান, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে। সততা, স্বচ্ছতা ও শতভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলকে একটি দৃষ্টান্তমূলক সেবাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই তাদের লক্ষ্য।

তার এমন উদ্যোগে ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মতৎপরতা যেমন বেড়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে আস্থা ও স্বস্তি। সেবাপ্রার্থীদের প্রত্যাশা, বর্তমান ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভূমি সংক্রান্ত সেবা গ্রহণে আরও কমবে হয়রানি ও ভোগান্তি।

স্থানীয়দের মতে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দ্রুত সেবা প্রদানের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল শুধু স্থানীয় পর্যায়েই নয়, দেশের অন্যান্য ভূমি অফিসের জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত ভূমি সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ কতটা স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

পড়ুন: নেপালে সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই, উদ্ধারকাজ শেষ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন