বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত ১ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত দলীয় নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন মো. আসলাম চৌধুরী। এ সময় তিনি আহতদের পাশে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার সোনাইছড়ি, কুমিরা ও বাঁশবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সকাল ১০টায় সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমবেদনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন আসলাম চৌধুরী। নুরউদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে তিনি আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এ সময় মো. রবিউল হক, নাজিমউদ্দৌলা, গিয়াসুল মাহমুদ চৌধুরী তসলিম, আজিজুর রহমানসহ ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর ১২টার দিকে কুমিরা ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল উদ্দিনের বাড়িতে যান আসলাম চৌধুরী। সেখানে আহত কামাল উদ্দিনসহ মহিলা দলের আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে দুপুর ১টার দিকে বাঁশবাড়িয়া এলাকার ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতি মো. মুনসুরের বাড়িতে গিয়ে আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য দেন আসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, “১ সেপ্টেম্বর ছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এদিন ছিল আমাদের আনন্দের দিন। আনন্দ উৎসব করার কথা থাকলেও একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলায় সব আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে। তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি বানচাল করতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। ভবিষ্যতে তাদের জোরালোভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এখন চুপ করে বসে থাকার সময় নেই।”
এদিকে শনিবারের কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, সদস্য সচিব মো. মোরছালিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সালামত উল্লাহ, ফজলুল করিম চৌধুরী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বশর ভূঁইয়াসহ উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেত্রকোনার অর্ক: বুলেটের দাগই যার সাহসের প্রতীক


