বিজ্ঞাপন

সীতাকুণ্ডে আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর নির্মানের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সীতাকুন্ড উপজেলার সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জয়নব বিবি জলি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. মাহবুব আলম ।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সীতাকুণ্ড উপজেলার ১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের বশর উদ্দিন খলিফার বাড়ি এলাকার উচ্চ আদালতের নিষেধাঙ্গা অমান্য করে পেশি শক্তি ব্যবহার করে রাতে আধার ভবন নির্মাণ করছে।

অভিযোগকারী দাবি করেন, আদালতের ওই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষের লোকজন জমিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, প্রতিপক্ষের লোকজনকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভবনে কাজ না করার অনুরোধ করা হলে তারা অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। এমনকি আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—শাহ জামাল (৬৫), আশরাফুজ্জামান রনি (৪০), জয়নার বিবি জলি (৪২), জুনায়েদ হায়দার জিহান (২৪), হুমায়ুন হায়দার জিসান (২৬), মো. ফারুক (৪২) ও মো. আরমান (২৮)। তারা সীতাকুণ্ডের ১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আশরাফুল জামান রনি জানান জানান তাদের নামে ভুলে কিছু জায়গা বিএস হয়ে যায়।আমার বিএস ভুল সংশোধনীর জন্য মামলা করেছি। অভিযোগাকারী আমার নামে চাঁদাবাজি সহ ৭ টি মামলা দিয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল উচ্চ আদালত থেকে নোটিস আসে আমরা কাজ বন্ধ রাখবো।

বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা সীতাকুণ্ড মডেল থানার এস আই আলাউদ্দিন সাথে বিষয়টি জানতে বার বার যোগাযোগ করা হলে ঐ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারী মো. মাহবুব আলম বিষয়টি তদন্ত করে আদালতের আদেশ অমান্যসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সীতাকুণ্ড মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

পড়ুন:আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলে ভূমি সেবায় পরিবর্তনের ছোঁয়া

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন