বিজ্ঞাপন

বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন শ্রাবন্তী

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলে আসছে। বিশেষ করে একাধিক বিয়ে ও বিবাহবিচ্ছেদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্যের মুখে পড়েছেন তিনি। এবার সেই কঠিন সময়ের মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ‘স্ট্রেট আপ উইথ শ্রী’ পডকাস্টে অতিথি হয়ে নিজের জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে কথা বলেন শ্রাবন্তী। সেখানে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর মানসিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন, সেই অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি।

শ্রাবন্তীর ভাষায়, একটা সময় তার মনে হয়েছিল নিজেকে শেষ করে দেওয়া উচিত। তবে পরক্ষণেই নিজেকেই প্রশ্ন করেছেন, একটি ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পছন্দের কারণে কেন তিনি নিজের জীবন শেষ করবেন। এই উপলব্ধিই তাকে সেই কঠিন সময় থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।

অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে প্রথম বিয়ে হয় পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে। ২০০৩ সালে বিয়ের পর তাদের সংসারে জন্ম নেয় একমাত্র সন্তান অভিমন্যু। শ্রাবন্তী ছেলেকে আদর করে ‘ঝিনুক’ নামে ডাকেন। দীর্ঘ দাম্পত্যের পর ২০১৬ সালে রাজীবের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়।

এরপর একই বছর কৃষাণ ভিরাজকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে তাদের রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছিল। তবে সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। পরের বছরই তাদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আসে।

এরপর ২০১৯ সালের এপ্রিলে ফিটনেস ট্রেনার রোশন সিংকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী। ভারতের চণ্ডীগড়ে পাঞ্জাবি রীতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। শুরুতে বিয়ের বিষয়টি অনেকটাই গোপন রেখেছিলেন তারা। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই এই সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় গড়ায়। ২০২৫ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বারবার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এবং তা নিয়ে জনসমক্ষে চলা আলোচনা শ্রাবন্তীর ওপর যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, পডকাস্টে তারই আভাস দিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে সেই কঠিন অধ্যায় পেছনে ফেলে এখন নিজের কাজ ও সন্তানকে ঘিরেই এগিয়ে যেতে চান তিনি।

পড়ুন:মা হচ্ছেন অভিনেত্রী নাফিজা জাহান

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন