বিজ্ঞাপন

বাবার মৃত্যুর সংবাদে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়ায় ট্রাক চাপায় ছেলের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

কুষ্টিয়ায় বাবার মৃত্যুর সংবাদে মাগুরা থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাক চাপায় নূরে আলম জিকু (৩৮) নামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার স্বস্তিপুর এলাকায় (কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে) এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আকিদুল ইসলাম নামে আরও একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত নূরে আলম জিকু কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি মাগুরায় বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করতেন।

কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে ফাড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ মহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতে স্বস্তিপুর এলাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এবং এ ঘটনায় আকিদুল নামে আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক যানটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নিহত ও আহত দু’জন সদর উপজেলার স্বস্তিপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেন। এতে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যায়। এসময় তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে অপর একটি ট্রাক তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় মোটরসাইকেলে থাকা অন্যজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয়রা। পরে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

দৌলতপুরের আড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন জানান, বুধবার বিকেলে লাল নগর গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন (৮৫) নিজ বাড়ীতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর খবরটি পাওয়ার পরপরই জিকু মাগুরা থেকে তার ভায়রা ভাইয়ের সঙ্গে মোটরসাইকেলে চেপে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে মহাসড়কের স্বস্তিপুর এলাকায় একটি বালিবাহী ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করলে মোটরসাইকেলটি ট্রাকের নিচে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান জিকু।

পড়ুন : ‘খুনসুটি’ যখন লাখ টাকার, সংসদ তখন কতটুকু জনতার?

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন