বিজ্ঞাপন

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ও ফসলি জমি রক্ষায় গোয়াইনঘাটে দুই গ্রামবাসীর মানববন্ধন

বিজ্ঞাপন

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের উত্তর হাতির পাড়া খাওইউড়া সংলগ্ন নদী থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়া থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার উত্তর হাতির পাড়া খাওইউড়া সংলগ্ন নদীর তীরে ‘হাতির পাড়া ও পুকাশ গ্রামবাসী’র যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পুকাশ ও হাতির পাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আবজল, সয়ফুল, হামিদ ও ফারুকের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী বালু খেকো চক্র কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দিনরাত ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর ফলে নদীর তীব্র ভাঙনে হাতির পাড়া ও পুকাশ গ্রামবাসীর শত শত একর ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে মানচিত্র থেকে দুটি গ্রামের ফসলি জমি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউপি সদস্য মাসুক আহমদ বলেন, অবৈধ বালু খেকোদের আগ্রাসনে আমাদের এলাকার কৃষকেরা আজ দিশেহারা। ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, অবিলম্বে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা হোক এবং এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অন্যথায় এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মুরব্বি ও সমাজসেবক আবু বক্কর, আব্দুল আজিজ, আব্দুল কাদির, আব্দুর নুর, বদরুল ইসলাম, ইজ্জত উল্লাহসহ এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের এবং নদী ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণের জোর দাবি জানান।

পড়ুন : মক্কা জোটে নতুন কোনো দেশকে যুক্ত না করার ঘোষণা

সা./

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন