বিজ্ঞাপন

বগুড়ায় ফাঁকা গুলির মহড়ার পর কুপিয়ে জখম, আহত সেই মোকছেদুলের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

বগুড়ায় আমবাগান লিজ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ফাঁকা গুলি ছুড়ে মহড়া ও হামলায় গুরুতর আহত মো. মোকছেদুল হাসান (৩৮) মারা গেছেন। হামলার ৭ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত মোকছেদুল সদর উপজেলার বারোপুর মৌজায় ন্যাশনাল ফ্যান কোম্পানির মালিকানাধীন ৩২ বিঘার আমবাগান লিজ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হামলার শিকার হন। গত শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে মাটিডালী উত্তরপাড়ায় জারা কার হাউসের বিপরীতে বসে থাকা অবস্থায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল মোটরসাইকেল ও হাইস গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে আসে। তাঁদের কয়েকজনের হাতে পিস্তল, রামদা ও হকিস্টিক ছিল। আতঙ্ক সৃষ্টি ও সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দিতে তাঁরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পরে মোকছেদুলকে একা পেয়ে রামদা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

গুরুতর আহত অবস্থায় মোকছেদুলকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েক দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়।

এদিকে হামলার ঘটনায় গত ৬ সেপ্টেম্বর মোকছেদুলের মা মোছা. রেবেকা বেগম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ছায়াতদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মো. নাজমুল হুদা রাফিত (২১) ও মো. হাছান আকন্দকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাফিত বগুড়া মহানগরের উত্তর চেলোপাড়ার আজাদ বেপারীর ছেলে এবং হাছান সদর উপজেলার নিশিন্দারা চকরপাড়ার বাদল আকন্দের ছেলে।

ঘটনার পর পুলিশ ও র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে ৭ দশমিক ৬৫ এমএম বোরের পিস্তলের দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ইব্রাহীম আলী বলেন, হামলায় আহত মোকছেদুল হাসান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরসহ আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন : কঙ্গোতে স্কুলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৪ শিশু শিক্ষার্থী

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন