ঢাকার আশুলিয়ায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা, প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাবসহ নানা শারীরিক উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন রোগীরা। অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গের ধরন নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক। আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। কেউ কেউ প্রথমে সাধারণ জ্বর বা দুর্বলতা মনে করে চিকিৎসা না নিলেও পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে ।
রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। বাসাবাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, নির্মাণাধীন ভবন ও বিভিন্ন স্থানে অপরিষ্কার পানি থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ফলে ডেঙ্গু নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্কও বাড়ছে।
আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীরুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গুর উপসর্গ ব্যক্তি ও রোগের পর্যায়ভেদে ভিন্ন হতে পারে। শুধু জ্বরের ওপর নির্ভর না করে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে অতিরিক্ত দুর্বলতা, পেটে ব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
অন্যদিকে হাসপাতালটির সি: ম্যানেজার হারুন অর রশিদ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই পজেটিভ আসছে।
এদিকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পড়ুন : রাজবাড়ীর পদ্মা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী


