বিজ্ঞাপন

রাতে ঝগড়া, সকালে গৃহবধূর লাশ; স্বামী আটক

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. জাকির হোসেন ওরফে নুরুল হক (৩৭) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বরমা ইউনিয়নের চরবরমা গুচ্ছগ্রামের ২৭ নম্বর ঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ রুনা আক্তারের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রুনা বরমা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাইনজুরি এলাকার জামাল উদ্দিনের মেয়ে। আটক জাকির একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কেশুয়া নয়াপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ইজিবাইকচালক।

পুলিশ জানায়, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর প্রায় দুই বছর আগে জাকিরের সঙ্গে রুনার বিয়ে হয়। রুনা ১১ বছর বয়সী এক সন্তানের মা। বিয়ের পর থেকে তিনি স্বামীর সঙ্গে বরমা গুচ্ছগ্রামের ওই ঘরে বসবাস করে আসছিলেন।

ঘটনার রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে রুনা ও জাকিরের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাকির ক্ষিপ্ত হয়ে রুনাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর আহত হয়ে রুনা অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান।

পরে রুনার জ্ঞান না ফেরায় জাকির তাকে খাটে তুলে শুইয়ে দেন এবং তার শ্বশুর জামাল উদ্দিনকে খবর দেন। খবর পেয়ে স্থানীয় পল্লিচিকিৎসক বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ পুলিশকে জানান। পরে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জাকিরকে আটক করে। একই সঙ্গে রুনার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

চন্দনাইশ থানার ওসি এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে জাকির হোসেনকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

পড়ুন : চেকপোস্টে পিকআপ তল্লাশি, মিলল ইয়াবা-পিস্তল

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন