বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তৃণমূল পর্যায়ের জনগণকে উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ‘গ্রাম সরকার’ গঠন করেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের কিল্লারহাট এলাকায় নোয়াখালী খালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে ও সদর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আয়োজনে উন্মুক্ত জলাশয়ে এ মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হয়।
মো. শাহজাহান বলেন, একসময় আমাদের খাল-বিল, নদী-নালা দেশীয় মাছে ভরপুর ছিল। কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন অনেক দেশীয় মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক মৎস্যজীবীও মাছ চাষ ও আহরণ ছেড়ে ভিন্ন পেশায় চলে গেছেন।
তিনি বলেন, মৎস্য চাষ ও উৎপাদন গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম শক্তি। গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে, গ্রামের উন্নয়ন মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিল- “গ্রাম বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে।” গ্রামের উন্নয়নের জন্য তিনি গ্রাম সরকার গঠনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা অনেকেই সেই পথ থেকে সরে আসছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে যেভাবে দেখেছি, তাদের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানকেও সেভাবেই দেখতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং আরও ভালোভাবে পরিচালিত হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক ভিপি আলাউদ্দিন আলার সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফরিদ উদ্দিন মিনুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ ও জেলা বিএনপির সদস্য ভিপি শহিদুল ইসলাম কিরণ।
এ সময় জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব মো. ফখরুল ইসলাম খোকন, সদর উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক কাজী নুর হোসেন, সদস্য সচিব মো. মাহমুদুর রহমান চৌধুরী কাউছার, জেলা মৎস্যজীবী দল নেতা শের আলী, আবদুল কাইয়ুম, মো. পারভেজসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, ২০ মিনিট বন্ধ যান চলাচল


