বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় পানি শোধনাগার অচল: ১৫ দিনের আল্টিমেটাম পৌরবাসীর

বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগার দীর্ঘ দুই বছরেও চালু না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত শোধনাগারটি চালু করে ঘরে ঘরে সুপেয় পানি সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে পৌরসভার চলমান রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণকাজে ধীরগতি এবং ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে তা দ্রুত সংশোধনের দাবি জানানো হয়।

​রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মূল ফটকের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

​মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির তীব্র সংকট নিরসনের কথা বলে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি শোধনাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল। অথচ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা আজ পর্যন্ত চালু করা হয়নি। ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থে নির্মিত জনকল্যাণমূলক এই স্থাপনাটি অলস পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে, আর কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ পৌরবাসী।

​উন্নয়নকাজে অনিয়মের প্রসঙ্গ টেনে বক্তারা আরও বলেন, শুধু পানি শোধনাগারই নয়, পৌরসভার চলমান বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার নির্মাণকাজেও চরম ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি হরিলুটের মতো চলছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের মহোৎসব, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে এসব কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।

​মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু, পৌরসভার বিশিষ্ট বাসিন্দা এনামুল হক, সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদ মোহাম্মদ মুজাহিদ, শাহিন আলম এবং সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিজানুর রহমানসহ অনেকে।

এ সময় ​বক্তারা আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পানি শোধনাগারটি সচল করে পৌরবাসীর জন্য সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় নির্ধারিত এই সময়ের পর বৃহত্তর পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

পড়ুন : সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন