বিজ্ঞাপন

রাজশাহীতে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর জেলার ডিবি পুলিশ অভিযান পরিচলনা করে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ একজনকে আটক করেছে। আটককৃত নারী জেলার বাঘা উপজেলার বাসীন্দা। সে উপজেলার আলাইপুর গ্রামের মোঃ রুবেল হোসেনের স্ত্রী রোজিনা খাতুন। তারা উভয় অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

রবিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার অফিসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, গতকাল শুক্রবার রাতে জেলার বাঘা থানাধীন আলাইপুর (নাপিতপাড়া) গ্রাম হতে অভিযান পরিচালানা করে ডিবি পুলিশ। ওই সময় ২ টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বিদেশী পিস্তল, ০৩টি ম্যাগাজিন ও ০৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলার ডিবি পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তের নাম মোছাঃ রোজিনা খাতুন (৪৫)। মোছাঃ রোজিনা খাতুন বাঘা থানাধীন আলাইপুর (নাপিতপাড়া) গ্রামের পলাতক অভিযুক্ত মোঃ রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ডিবির এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ স্বপন হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে বাঘা থানা এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত ছিল। ওই সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আলাইপুর (নাপিতপাড়া) গ্রামস্থ মোছাঃ রোজিনা খাতুন (৪৫) ও রুবেলের এর বসত বাড়ীতে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি মওজুদ আছে।

ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রুবেল পালাতে সক্ষম হলেও রোজিনা খাতুন আটক হয়। ওই সময় তাদের বসত বাড়ি তল্লাশি করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পলাতক অভিযুক্ত মোঃ রুবেল হোসেন (৪৮) এবং আটককৃত মোছাঃ রোজিনা খাতুনের তারা সর্ম্পকে স্বামী-স্ত্রী। বাঘার আলাইপুর (নাপিতপাড়া) গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে রুবেল। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)ও মুখপাত্র, মিডিয়া সেল সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আটককৃত রোজিনা খাতুনের বিরুদ্ধে রাজশাহীর বাঘা থানায় ০১টি এবং পলাতক অভিযুক্ত মোঃ রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন থানায় ১৩ টি, নরসিংদী জেলায় ০১টি এবং কুষ্টিয়া জেলায় ০১টি মামলা রয়েছে। এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ও পলাতক অভিযুক্তদ্বয়ের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

পড়ুন : হাইকোর্টের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল করা যাবে না

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন