রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এক নারী পুলিশ সদস্য বিয়ের দাবিতে অপর পুলিশ সদস্যের বাড়িতে অনশন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাড়ী পুলিশের অনশনের বিষয়টি সামাজিক যোগযোগ ও স্থানীয় পর্যায়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রেমতে জানা যায়, এক সন্তানের জনক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছে অপর এক নারী পুলিশ সদস্য। ওই পুলিশ সদস্য শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিনগর এলাকার মৃত আব্দুর রাকিবের ছেলে মেরাজ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বাড়ি ও তার মামার বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। উপয়ান্তর তালাবদ্ধ বাড়ির দরজায় অবস্থান নেয় ভুক্তোভোগী নারী পুলিশ সদস্য।
অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল মেরাজ আলী বর্তমানে রাজধানী ঢাকার উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত আছে। অনশনকারী নারী পুলিশ সদস্য জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এসময় বিয়ের প্রলোভনে গাজীপুরে একই বাসায় তাদের আন্তরিকতা হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই নারীরর সঙ্গে হোটেলে রাত্রি যাপন করেন পুলিশ সদস্য মেরাজ আলী। শাররীক সম্পর্ক স্থাপন ছাড়াও বাড়ি করার অজুহাতে ২০ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ তুলেছে ওই নারী পুলিশ সদস্য।
গত ১৮ দিন যাবত তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না নারী পুলিশ। যার কারনে মেরাজের বাড়িতে এসে বিয়ের দাবিতে অনশন করে নারী কনস্টেবল। অনশনের সময় বিয়ে না করলে আত্নহত্যা ও আইনী পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দেয় সে। ওই নারী আরো জানান, গত এক বছর ধরে তার বেতনের পুরোটাই নিয়ে নিতো মেরাজ আলী। টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর থেকেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় পুলিশ কনস্টেবল মেরাজ আলী। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, মেরাজ বিবাহিত এবং সে এক সন্তনের জননী।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য মেরাজ আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মেরাজের মা ও স্ত্রী সঙ্গে বিষয়টি বিস্তারিত তথ্য নেওয়া চেষ্টা করলে তারা বলেন, কিছুই জানা নেই তাদের সর্ম্পকে।
সার্বিক বিষয়ে শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান নাগরিক টিভিকে বলেন, ওই নারী পুলিশ সদস্য থানায় কোন অভিযোগ রুজু করেনি। তবে সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিয়ের দাবিতে অনশন করার বিষয়ে জানেন তিনি।
পড়ুন : ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস
সা/


