একটি সাইনবোর্ডকে কেন্দ্র করে জমি দখলের মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে প্রকৃত জমির মালিককে সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাফিজুল ইসলাম রবিন। জমি জবরদখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে বৈধ প্রক্রিয়ায় জমি কেনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জমির মূল মালিক রমজান আলী ও তার পরিবার।
সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ফেক আইডির মাধ্যমে রবিনের বিরুদ্ধে সাইনবোর্ড টানিয়ে জমি দখলের অভিযোগ তোলা হয়। এর প্রেক্ষিতে বিতর্কিত ওই জমিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কাগজপত্র উপস্থাপন করে বক্তব্য দেন ছাত্রদল সভাপতি ও জমির মূল মালিকপক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে রাফিজুল ইসলাম রবিন জানান, একটি কুচক্রী মহল তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত মিথ্যাচার চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, “রমজান আলীর নামে এসএ, আরএস রেকর্ড এবং নামজারি-খারিজসহ সব কাগজপত্র শতভাগ বৈধ ও হালনাগাদ রয়েছে। উনার টাকার প্রয়োজন হওয়ায় সম্পূর্ণ বৈধভাবে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বায়না দলিলের মাধ্যমে আমি জমিটি কিনেছি। ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে থাকলেও আমার একটি পরিবার রয়েছে। বৈধ উপায়ে হালাল ব্যবসা পরিচালনা করা কোনো অপরাধ হতে পারে না।” তিনি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে জমির মূল মালিক রমজান আলী (পিতা: মনসুর আলী বেপারী) জমি বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এটি আমাদের বাপ-দাদার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি। জমির খাজনা, খারিজ, পর্চা ও দলিল সব ঠিকঠাক আছে। টাকার প্রয়োজনে রবিন সাহেবের কাছে কাগজপত্র দেখিয়ে আমি নিজেই জমি বিক্রির বায়না করেছি এবং সুস্থ মস্তিষ্কে বায়না স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে টাকা নিয়েছি।”
রবিন জমি দখল করেছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, জমি দখলের সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতে একটি পক্ষ এই শত্রুতা করছে।
একই সাথে রমজান আলীর ছেলে জানান, এই জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্বে থানায় বসেও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। জোরপূর্বক জমি দখলের কোনো প্রশ্নই ওঠে না; তারা স্বেচ্ছায় ও বৈধ আইনি প্রক্রিয়ায় জমিটি বিক্রি করেছেন।
পড়ুন : তালতলীতে ছাগলের পিপিআর রোগ প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী টিকাদান শুরু


