বিজ্ঞাপন

অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের আরও ২ সদস্য গ্রেফতার

বিজ্ঞাপন

অনলাইন বেটিং (জুয়া) পরিচালনা এবং অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন ও বিদেশে পাচারের সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় আরও ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখে একই চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতারের পর মামলাটির তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারিখে ঢাকার রামপুরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃতরা হলেন— (১) সজীব দে (৩৭), পিতা- সুজন দে, মাতা- সান্ত্বনা দে, স্থায়ী ঠিকানা- কেলি শহর, পটিয়া, চট্টগ্রাম; বর্তমান ঠিকানা- খিলক্ষেত, পূর্ব নামাপাড়া, ঢাকা এবং (২) মোঃ মাসুদ রানা (৩০), পিতা- মৃত মনতাজ মিয়া, মাতা- বিবি হাজেরা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা- ধলি গৌরনগর (বালুরটেক), লালমোহন, ভোলা; বর্তমান ঠিকানা- পূর্ব রামপুরা, জামতলা, রামপুরা, ঢাকা।

‎সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার মনিটরিং সেলের নিয়মিত অনলাইন মনিটরিং ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেশে ও দেশের বাইরে অবস্থানকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের অনলাইন বেটিং ও জুয়া কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব বেটিং ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন প্রচার করে সাধারণ মানুষকে অনলাইন জুয়ায় সম্পৃক্ত করা হতো।

‎প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ভুয়া বা অস্তিত্বহীন দোকানের তথ্য ব্যবহার করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে দোকান না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া MFS উদ্যোক্তা সিম/অ্যাকাউন্ট খুলে তা অনলাইন জুয়া কার্যক্রমে ব্যবহার করত। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জুয়ায় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করা হতো। পরবর্তীতে সংগৃহীত অবৈধ অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

‎এ ঘটনায় সিআইডির পক্ষ থেকে পল্টন মডেল থানায় মামলা নং-৩৫, তারিখ-৩১/০৮/২০২৬ খ্রি., জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৫/১৬/১৭/১৮/১৯(১)/২২/২৩/২৪(১)/২৪(২)/২৫/২৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. বিকাল ৫:৩০ ঘটিকায় রামপুরার ৬৭, পূর্ব হাজীপাড়াস্থ এসএস কর্পোরেশন (নগদ হাউজ)-এ অভিযান পরিচালনা করে উল্লিখিত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের নিকট থেকে ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা ভুয়া MFS অ্যাকাউন্ট খুলে তা অনলাইন জুয়া কার্যক্রমে ব্যবহার করতে সহযোগিতা এবং এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার কথা স্বীকার করে।

‎মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনলাইন বেটিং ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন : শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: ইনু, দিপু মনিসহ ১১ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন