বিজ্ঞাপন

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখনই’ দাবিতে পাথরঘাটায় মানববন্ধন

বিজ্ঞাপন

‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখনই’—এ স্লোগানকে সামনে রেখে জলবায়ু ন্যায়বিচার, জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যৎ এবং দ্রুত, ন্যায্য ও অর্থায়নকৃত জ্বালানি রূপান্তরসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে বরগুনার পাথরঘাটায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের সোনালী বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বৈশ্বিক কর্মসূচি ‘গ্লোবাল উইক অব অ্যাকশন’-এর অংশ হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ও আসন্ন কপ-৩১-এর প্রাক্কালে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন প্রচারাভিযান পরিচালনা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ, জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর বাস্তবায়নের দাবি জানান।

সোনালী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শাহ আলম খানের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালমেঘা মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনালী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পরিবেশকর্মী মাইনুল ইসলাম, সিফাত খান, সোহাগ আকন, মিথুন মিত্র প্রমুখ।

এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও পরিবেশসচেতন ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা—ধরা’র পাথরঘাটা উপজেলা সমন্বয়কারী শফিকুল ইসলাম খোকন।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তর প্রয়োজন। একই সঙ্গে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

মানববন্ধন থেকে জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধ, পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং জনগণকেন্দ্রিক দ্রুত ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের আহ্বান জানানো হয়।

পড়ুন: ট্রেনে নারী কোচ: খসড়া আইনে স্থান-সংখ্যা অস্পষ্ট, বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন