বিজ্ঞাপন

দুই দশকেও নিজস্ব ভবন পায়নি নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

বিজ্ঞাপন

বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও নীলফামারীতে এখনো চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো মুন্সেফ কোর্ট ভবনেই চলছে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। এতে বিচারক, আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
সরকারের ‘৬৪ জেলা সদরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীতেও একটি পৃথক আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ভবনটির দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
সরকারি নথি অনুযায়ী, নীলফামারীর সাবেক জেলা কারাগার চত্বরে ১ দশমিক ৪৫ একর জমি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিগ্রহণ শাখা-১ থেকে জেলা প্রশাসনকে ওই জমি আদালত ভবনের জন্য হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নীলফামারীর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হক বসুনিয়া বলেন, আদালতের নিজস্ব ভবন না থাকলেও পুরোনো ভবনেই নীলফামারী সিজেএম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও জনসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মালখানায় থাকা মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার পর পুরোনো আলামত ও মাদকদ্রব্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানায় থাকা পুরোনো মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলসহ অন্যান্য মামলার আলামত নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
সিজেএম আরও জানান, সাবেক জেলা কারাগারের পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন আদালত ভবনের নির্ধারিত স্থানে গাইড ওয়াল নির্মাণ, রেকর্ড রুম থেকে সত্যায়িত কপি দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা, সমন জারির ক্ষেত্রে অনিয়ম প্রতিরোধ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।
এ ছাড়া বিচারসংক্রান্ত তথ্য ও সেবা সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে একটি তথ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

পড়ুন:টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক শর্মার বিশ্বরেকর্ড

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন