বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় ডিবি পুলিশের ধাওয়া: কাভার্ডভ্যান ভর্তি কম্বল জব্দ

বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় পুলিশের সংকেত অমান্য করে পালানোর সময় বিপুল পরিমাণ চোরাচালান করা ভারতীয় কম্বলসহ দুজন চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-পশ্চিম)। এ সময় চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যানও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত ৭৫০টি ভারতীয় কম্বলের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ লাখ টাকা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে, শনিবার ভোরে পূর্বধলা থানাধীন জালশুকা এলাকার জমজম ফিলিং স্টেশনের সামনে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ডিবি (পশ্চিম)-এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল জলিল এবং এসআই ইমন পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ভোর থেকেই মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছিল। ভোর ৫টার দিকে ‌‌‘অশোক লেল্যান্ড’ ব্র্যান্ডের একটি পুরোনো হলুদ ও নীল রঙের কাভার্ডভ্যানকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। কিন্তু চালক সংকেত তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত অফিসার ও পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটি আটকে সক্ষম হয় অভিযানকারী দল।

পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির ভেতর থেকে ৭৫০ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বেরাইদের চালা এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে মো. সুরুজ মিয়া (৪২) এবং ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা কালীবাড়ী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মামুনুর রশিদ (২০)। মামুনুর রশিদ বর্তমানে শেরপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের তালুকদার বাড়িতে বসবাস করেন।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালান চক্রের আরেক সদস্য, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানাধীন কলসিন্দুর এলাকার মোশাহেব (৪০) পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

নেত্রকোনা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জব্দকৃত কম্বল ও কাভার্ডভ্যানটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত দুই আসামি ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় চোরাচালান আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের নেত্রকোনা জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশের সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে ডিবি পুলিশের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও কঠোরভাবে চলমান থাকবে।

পড়ুন : জামালপুরে সাংবাদিক নেতার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন