ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমিকার বাড়ি থেকে কাজী সাঈম নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই তরুণী ও তার মাকে আটক করা হয়েছে। সাঈমের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের পাচলক্ষী গ্রামের মৃত বদর উদ্দিন মধুর বাড়ি থেকে সাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাঈম চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পাচলক্ষী গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। বুধবার সকালে ওই বাড়িতে সাঈমের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে।
খবর পেয়ে ধামরাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ওই তরুণী ও তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশ বলছে, সাঈমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।’
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সাঈমের মৃত্যুর সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পুলিশ।
পড়ুন:জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
ইমি/


