এশিয়ান গেমসের আগে পাকিস্তান ক্রিকেট দলে এসেছে পরিবর্তন। আঙুলের চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন পেসার সালমান মির্জা। তাঁর পরিবর্তে ১৫ সদস্যের পাকিস্তান দলে জায়গা পেয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র।
বেশ কয়েক মাস পর জাতীয় দলে ফিরছেন ওয়াসিম। গত জানুয়ারিতে পাকিস্তানের হয়ে সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন এই ডানহাতি পেসার। এরপর আর জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর। এবার এশিয়ান গেমসের মঞ্চ দিয়ে আবারও পাকিস্তানের জার্সিতে দেখা যাবে তাকে।
এশিয়ান গেমসের জন্য পাকিস্তানের দলটি সাজানো হয়েছে বেশিরভাগ তরুণ ক্রিকেটার নিয়ে। দলের নেতৃত্বে থাকবেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। তরুণদের পাশাপাশি দলে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন।
পাকিস্তানের অনভিষিক্ত ক্রিকেটারদের তালিকায় রয়েছেন আকিফ জাভেদ, আলি রাজা, মাজ সাদাকাত ও সাদ মাসুদ। বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।
আগামী সোমবার কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ দিয়ে এশিয়ান গেমসে নিজেদের অভিযান শুরু করবে পাকিস্তান। তবে শেষ পর্যন্ত কোন দলের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ হবে, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে পাকিস্তানের অতীত সাফল্য অবশ্য খুব বেশি নয়। ২০১০ সালের আসরে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল তারা। এরপর ২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসে এবং সর্বশেষ আসরেও পদকের লড়াইয়ে হতাশ হতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দুই আসরেই ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় তারা।
এবার তাই তরুণদের নিয়ে গড়া দলকে সামনে রেখে এশিয়ান গেমসে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চাইবে পাকিস্তান। সালমান মির্জার চোট দলের জন্য ধাক্কা হলেও তাঁর জায়গায় অভিজ্ঞতা থাকা মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রের অন্তর্ভুক্তি বোলিং বিভাগে কিছুটা ভারসাম্য আনতে পারে।
পড়ুন:পাঁচ বছর পর ফিরলেন ডিকভেলা
ইমি/


