বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক মঞ্চে প্রশাসন ও রাজনীতিক: মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার কেন্দুয়া

সমাজকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিক অবক্ষয়, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা। সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের ঐকান্তিক আকাঙ্ক্ষায় রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হলো জনসমাবেশ। যেখানে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক কাতারে শামিল হলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক এবং আপামর জনসাধারণ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পড়ন্ত বিকেলে রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের জনতা উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ পরিণত হয়েছিল সম্প্রীতির মিলনমেলায়। বিকাল সাড়ে ৪টায় ‘সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ জনসমাবেশে ঢল নামে সাধারণ মানুষের। দল-মত নির্বিশেষে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে, মাদকের মতো ভয়াবহ ব্যাধি ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ আজ কতটা সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ।

রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন ভূঁইয়া সুরুজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

অত্যন্ত দৃঢ় অথচ দায়িত্বশীল কণ্ঠে তিনি বলেন, “একটি কথা আজ অত্যন্ত পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, আমাদের এই পবিত্র মাটিতে কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা মাদকসেবীর জায়গা হবে না।” তিনি ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন, “শুধুমাত্র সরকারের একার পক্ষে সমাজ থেকে মাদক পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন প্রতিটি ঘর, প্রতিটি স্তর থেকে সর্বদলীয় ঐক্য ও সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ। ঠিক মহৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই রোয়াইলবাড়িতে আমরা সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদের কমিটি গঠন করেছি।”

জনসচেতনতামূলক এই বিশাল আয়োজনে রাজনীতিকদের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর সুরক্ষার অনুভূতি তৈরি করেছে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

পাশাপাশি, জামায়াতে ইসলামী নেতা খারুল কবীর নিয়োগীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক-শিক্ষিকামণ্ডলী এই মহতী উদ্যোগে একাত্মতা প্রকাশ করেন। প্রশাসন, শিক্ষক সমাজ ও রাজনৈতিক নেতাদের এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান সুস্থ সমাজ কাঠামোরই ইঙ্গিত দেয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিশ্ব নদী দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে বর্ণাঢ্য নৌ র‍্যালি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন