বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাইজেরিয়ায় জঙ্গল থেকে ২৮ জনের কঙ্কাল উদ্ধার

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় দুটি জঙ্গল থেকে অন্তত ২৮ জনের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আবিয়া প্রদেশের উমুয়াকু ও নিয়াতো জঙ্গলে অপরাধীদের কথিত আস্তানা থেকে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

উদ্ধার করা দেহাবশেষগুলো অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে নিহতরা কারা ছিলেন এবং কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পরিচয় শনাক্তসহ বিভিন্ন ধরনের তদন্ত শুরু হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার উমুন্নেওচি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চালানোর পর এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলোর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশের মুখপাত্র মরিন চিনাকা জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে পৌঁছানোর আগেই সন্দেহভাজনরা পালিয়ে যায়।

এক বিবৃতিতে মরিন চিনাকা বলেন, ‘পুলিশের বিশেষ অভিযানের সদস্যরা অপরাধীদের আস্তানায় পৌঁছানোর পর তারা পালিয়ে যায়। পরে আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। সেখান থেকে অপহরণের শিকার বলে সন্দেহ করা মোট ২৮ জনের মাথার খুলি ও হাড় উদ্ধার করা হয়েছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, জঙ্গলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর ওই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের কি না, তাদের পরিচয় এবং মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ফরেনসিকসহ বিভিন্ন ধরনের তদন্ত চলছে।

দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনায় দক্ষিণ-পূর্ব নাইজেরিয়ার দুর্গম জঙ্গলে সক্রিয় অপহরণকারী চক্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। এসব এলাকায় অপরাধী চক্র মুক্তিপণের জন্য গাড়িচালক, যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অপহরণ করে থাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে ওই এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

আবিয়া প্রদেশের পুলিশ কমিশনার উইলফ্রেড আফোলাবি বলেন, রাজ্যে অপরাধীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি সেগুলো ওই অঞ্চলের অমীমাংসিত অপহরণ মামলাগুলোর সঙ্গে যুক্ত কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে উমুন্নেওচিতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের সময় অপহরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে ধারণা করা পচন ধরা মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছিল।

মূলত উত্তর নাইজেরিয়ায় মুক্তিপণের জন্য অপহরণ অপরাধীদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে। এসব অপরাধীর মধ্যে সশস্ত্র দস্যু ও ধর্মীয় উগ্রপন্থি গোষ্ঠীও রয়েছে।

পড়ুন : ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত, ছাড়ের খবর অস্বীকার ট্রাম্পের

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন