উপকূল থেকে ফের ৬ কোটি ৮০ লাখ কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি পিস জব্দ

বিষখালী ও কঁচা নদীতে অভিযান চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা প্রায় ৬ কোটি ৮০ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও পুলিশের একটি যৌথ আভিযানিক দল।

রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

কোস্ট গার্ড জানায়, চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩ অক্টোবর মধ্যরাতে বরগুনার পাথরঘাটা থানাধীন দক্ষিণ চরদুয়ানী সংলগ্ন বিষখালী নদীতে বিশেষ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড স্টেশন পাথরঘাটা। অভিযানকালে একটি সন্দেহভাজন ফিশিং বোট দেখতে পেয়ে থামার সংকেত দিলে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটটি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পরবর্তীতে পিরোজপুর থানা পুলিশের সহায়তায় যৌথ দল ধাওয়া করে পিরোজপুরের পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন কঁচা নদীর তীর থেকে বোটটি আটক করে। তবে কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা বোটটি কূলে রেখেই পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ফিশিং বোটটিতে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে আনা ২২ হাজার ৪৮১ পিস ভারতীয় শাড়ি, ৫০ পিস থ্রি-পিস ও ৫০ পিস লেহেঙ্গা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রী ও ফিশিং বোটটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ কোটি ৮০ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা।

এবিষয়ে কোস্ট গার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, জব্দকৃত চোরাই আলামত ও আটক ফিশিং বোটটির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পিরোজপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের এই কঠোর অবস্থান ও যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্ল্যেখ্য, এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিরা এলাকার বিষখালী নদীতে অভিযানে প্রায় ৭ কোটি ৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ১৩ হাজার ৫০৭ পিস ভারতীয় শাড়ি, ১ হাজার ৪৬৬ পিস ভারতীয় পাঞ্জাবিসহ পাঁচজন চোরাকারবারিকে আটক করে কোস্টগার্ড।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বন্দরে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নতুন এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন