‎গরুই ছিল সংসারের ভরসা, রাতেই তিনটি নিয়ে গেল চোর

চট্টগ্রামের পটিয়ায় গোয়ালঘরের তালা ভেঙে এক পরিবারের তিনটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে। এতে সংসার চালানোর অন্যতম অবলম্বন হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন গরুর মালিক বিটু দে। চুরি যাওয়া গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা।
‎
‎বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলমপুর যোগেশ ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিটু দে বুধবার রাতে বসতঘরের পাশে গোয়ালঘরে তিনটি গরু রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, তালা ভাঙা। ভেতরে গিয়ে দেখতে পান, তিনটি গরুর একটিও নেই।
‎
‎চুরি যাওয়া গরুগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি কালো রঙের বাছুর, একটি লাল রঙের প্রায় পাঁচ মাস বয়সী গাভী এবং একটি কালো রঙের দুধেল গাভী। গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন মালিক বিটু দে।
‎
‎কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিটু দে বলেন, “আমার জন্য একটা গরুও রাখল না। তিনটা গরুই চুরি করে নিয়ে গেছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম। গরু লালন-পালন করে সংসার চালাই। আমার গরুগুলো ফেরত চাই।”
‎
‎এদিকে, সম্প্রতি এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, একের পর এক চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দা রিনা দে বলেন, “চার দিন আগেও পাশের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এখন গরু চুরি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমরা কীভাবে নিরাপদে থাকব, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।”
‎
‎আরেক স্থানীয় বাসিন্দা অরুণ দে বলেন, “গরু চুরির ঘটনায় আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। অসহায় বিটু দের চুরি যাওয়া গরুগুলো দ্রুত উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”
‎
‎এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, “এখনো এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে গরু চুরির খবর পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
‎
‎ভুক্তভোগী পরিবার চুরি যাওয়া গরুগুলো দ্রুত উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‎পড়ুন : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন