গেতাফেকে উড়িয়ে দিয়ে লা লিগায় টানা অষ্টম জয় বার্সেলোনার

আন্তর্জাতিক বিরতির আগে যেখানে নিজেদের অভিযান শেষ করেছিল, হ্যান্সি ফ্লিকের দল ঠিক সেখান থেকেই আবার দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করেছে। ক্যাম্প ন্যুতে গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে লা লিগায় টানা অষ্টম জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে আট ম্যাচের সবকটিতে জয় নিয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে কাতালানরা। একই সঙ্গে ২০১৩-১৪ মৌসুমে গেরার্দো মার্তিনোর অধীনে গড়া লা লিগায় ক্লাবের সেরা শুরুর রেকর্ডটি স্পর্শ করল তারা।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচ শুরুর মাত্র ৮৩ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এরিক গার্সিয়ার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের সামনে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নেন অ্যান্থনি গর্ডন, যা গেতাফের মারিও মার্তিনের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়। বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ এই ফরোয়ার্ডের প্রথম গোল। দ্রুত গোল হজম করলেও গেতাফে রক্ষণাত্মক অবস্থান থেকে খুব একটা বের হতে পারেনি এবং বলের দখল নিজেদের পায়ে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে বার্সা।

খেলার ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার জাইদ রোমেরোকে চাপে ফেলে বল কেড়ে নিয়ে বক্সে প্রবেশ করে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চোটের কারণে রাফিনিয়া না থাকায় বার্সার হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই নিজের নামের প্রতি সুবিচার করলেন তিনি। নতুন ক্লাবে খেলা তাঁর প্রথম তিনটি শটের প্রতিটিই গোলমুখে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জুলস কুন্দের দুটি প্রচেষ্টা গোলরক্ষক দাভিদ সোরিয়া রুখে দিলে দুই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় দল।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে বার্সেলোনা। ৬১ মিনিটে কৌশলী পরিবর্তন এনে দলীয় নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়ান কোচ ফ্লিক। দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ৮৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল স্বাগতিকরা। অবশেষে ৭৩ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত তৃতীয় গোলটি। ডান দিক থেকে লামিনে ইয়ামালের দারুণ একটি ক্রসে গোলমুখে ফাঁকায় বল পেয়ে তা জালে জড়ান ফরাসি ডিফেন্ডার জুলস কুন্দে।

গেতাফের বিপক্ষে এই ম্যাচটি বার্সেলোনার জার্সিতে জুলস কুন্দের ১৯৪তম ম্যাচ ছিল। গোল করার পাশাপাশি এই মাইলফলক স্পর্শ করার মাধ্যমে তিনি এরিক আবিদালকে ছাড়িয়ে ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফরাসি ফুটবলার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। ম্যাচের শেষ দিকে ইয়ামাল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগেনি, ফলে তিন গোলের সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি বার্সেলোনার টানা নবম জয়। তবে সামনে তাদের জন্য বেশ কিছু কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে; আগামী ১৩ মিনিটে চ্যাম্পিয়নস লিগে গালাতাসারাইয়ের মাঠে খেলার পর রিয়াল বেতিস ও পিএসজির বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তারা। আর আগামী ২৫ অক্টোবর ক্যাম্প ন্যুতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে হান্সি ফ্লিকের দল।

পড়ুন : ত্রিদেশীয় সিরিজের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন