রূপগঞ্জ হাসপাতালে বেওয়ারিশ ও দূর্ঘটনার শিকার রোগীদের চিকিৎসা দিতে অনীহা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে বেওয়ারিশ ও দূর্ঘটনা প্রবণ স্বজন ছাড়া কোন রোগীকে চিকিৎসা দিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন সরকারী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসওসিএমও তাছলিমাসহ সংশ্লিষ্টরা।

১১ অক্টোবর রবিবার বিকালে উপজেলার পূর্বাচল জলসিড়ি ১০০ ফুট সড়ক এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে গাউছিয়া এলাকার অজ্ঞাত পরিচয়ে অটোরিকশা চালককে জুস খাইয়ে অচেতন করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দা আমিন উদ্দিন সড়কের পাশে ঝিমিয়ে থাকা ব্যক্তিকে প্রথমে স্থান ও ঠিকানা জানতে চাইলে অজ্ঞাত লোকটি গাউছিয়া থেকে এসেছে এবং কে বা কাহারা জুস খাইয়েছে বলেই অচেতন হয়ে যায়।

এ ঘটনা স্থানীয় সাংবাদিক রিপন মিয়াকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমিন মাধ্যমে চিকিৎসার জন্যে পাঠান। কিন্তু। সেখানকার জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাক্তার ইমার উপস্থিতিতে এসওসিএমও তাছলিমা সাংবাদিকদের মুঠোফোনে বলেন, রোগীর সাথে পুলিশ থাকতে হবে নয়তো চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে না। যেহেতু অজ্ঞান রোগী পুলিশ না পাঠালে চিকিৎসা করা সম্ভব না। পুলিশের উপস্থিতিতে চিকিৎসা চালাবো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডাক্তার ইমা আক্তার বলেন, আমরা অজ্ঞান রোগীর বিষয়ে ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছি। এসওসিএমও ভুল করে হয়তো এমন কথা বলেছে। তবে আইন অনুযায়ী পুলিশকে জানিয়ে এসব রোগীদের চিকিৎসা দিতে হয়।

এসব বিষয় জানতে চাইলে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার তানসিভ যুবায়ের মুঠোফোনে বলেন, বেওয়ারিশ ও অজ্ঞাত পরিচয় থাকলে সাধারণত পুলিশকে জানিয়ে চিকিৎসা দিতে হয়।নয়তো অনেক সময় ঝামেলা তৈরি হয়। তবে যে কোন রোগী চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার রাখে। তবে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় এমন করে থাকলে দেখবো। আরএমও জানিয়েছেন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ধামরাই পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে আধুনিক পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন