শ্রীপুরে ভুয়া বিলে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার অর্থ আত্মসাৎ

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বোরো চাল সংগ্রহে গুরুতর অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। তথ্যানুযায়ী, চাল সরবরাহকারী মানিক কুমার সাহা খাদ্য গুদামে ৮২ টন আতপ বোরো চাল জমা দিলেও বিলে ৮৮ টন দেখিয়ে অতিরিক্ত ৬ টন চালের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

জানা যায়, সরকার প্রতি কেজি আতপ বোরো চালের জন্য ৪৮ টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু শ্রীপুর উপজেলার বরমী এলাকার মানিক কুমার সাহা এ বছর ৮২ টন চাল সরকারি খাদ্য গুদামে সরবরাহ করেন। তবে ডব্লিউকিউএসসি (WQSC) শিটে ৮৮ টন উল্লেখ করে চূড়ান্ত বিল উত্তোলন করা হয়েছে, যার দরপত্র অনুযায়ী মূল্য ২ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যোগসাজশে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো সংগ্রহ মৌসুমে মিলারদের সাথে নামকাওয়াস্তে চুক্তি সম্পন্ন করে খাদ্য কর্মকর্তা নিজে চাল সরবরাহ করেন। এক্ষেত্রে কাবিখা, টিআর, জিআর ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কৌশলে এ খাতে অন্তর্ভুক্ত করেন।

এ বিষয়ে চাল সরবরাহকারী মানিক কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিশ্চিত করে জানান, “আমি বিরাশি টন আতপ বোরো চাল খাদ্য গুদামে দিয়েছি।”

এদিকে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, যেখানে সাধারণ কৃষকরা গুদামে ধান-চাল দিতে এসে নানা হয়রানির শিকার হন, সেখানে অসাধু চক্র ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে সরকারের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন সরকার ও খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের দপ্তরে একাধিকবার গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গাজীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ শফি আফজালুল আলমের মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ফোন এবং মেসেজ দিয়েও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ধামরাইয়ে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বাবা, যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন