নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার আমূল পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের আশ্বাস দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। আজ দুপুরে উক্ত কারখানাটির সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাকালে তিনি সরকারের এই পরিকল্পনার কথা জানান।
পরিদর্শনকালে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ৪০০টি কোচ মেরামতের অপেক্ষায় পড়ে আছে। এসব বিকল কোচ দ্রুত মেরামত করে পুনরায় চলাচলের উপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষ কারিগর নিয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতা হ্রাস করতে কারখানাতে নিজস্ব যন্ত্রাংশ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
এ ছাড়া রেলওয়ের দখল হয়ে যাওয়া জমিগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে তা পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী। একই সাথে দেশের ৯টি রেলওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথ ব্যবস্থাপনায় সেগুলো পরিচালনা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
অননুমোদিত মাধ্যমে টিকিট না কেনার সতর্কবার্তা:
অন্য এক প্রসঙ্গে, বাংলাদেশ রেলওয়ের অনুমোদিত উৎস ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষ, অ্যাপ, ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কিনে প্রতারিত বা আর্থিক ক্ষতির শিকার হলে তার কোনো দায়ভার কর্তৃপক্ষ বহন করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, যাত্রীদের টিকিট ক্রয়ের জন্য কেবল রেলওয়ের অনুমোদিত ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট (https://eticket.railway.gov.bd), ‘রেল সেবা’ অ্যাপ কিংবা স্টেশনের অফিশিয়াল টিকিট কাউন্টার ব্যবহার করতে হবে। অননুমোদিত উপায়ে টিকিট কিনতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি বা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।
সেই সাথে নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করতে যাত্রীদের এনআইডি তথ্য, ওটিপি (OTP) ও পাসওয়ার্ডসহ অন্যান্য গোপনীয় তথ্য কারও সাথে শেয়ার না করার পরামর্শ প্রদান করেছে সংস্থাটি।
পড়ুন : গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
সা/


