প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, অদৃশ্য সাইবার চক্রকে আইনের আওতায় আনার হুশিয়ারী

বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে একটি বেনামী সাইবার চক্র সোস্যাল মিডিয়ায় ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। বারবার নামসর্বস্ব পেজ খুলে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে জ্যেষ্ঠ ও পেশাদার কর্মকর্তাদের মানহানির চেষ্টা চালানো হলেও, এবার অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে কঠিন আইনি ব্যবস্থার মুখে দাঁড় করানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

​বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম পূর্বে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস/পশ্চিম) পদে দায়িত্ব পালনকালে ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাসহ সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলের সরঞ্জাম ও স্টোর ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ছিলেন। উক্ত কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা নীলফামারীর সৈয়দপুরস্থ গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে সরঞ্জাম দপ্তর ও কারখানাগুলোর মালামাল সরবরাহ ব্যবস্থা তিনি সততা ও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সুবিধা ভোগ করে আসা একটি চক্র সুবিধা করতে না পেরে তাঁর ওপর চরম অসন্তুষ্ট হয়। বর্তমানে তিনি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রামে অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন।

​খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত ২০২৪ সালে এই চক্রটি তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছিল। সে সময় তিনি দাপ্তরিক প্রমাণাদিসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট এর সুনির্দিষ্ট ও লিখিত জবাব দেন এবং তৎকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়টির সম্পূর্ণ অবসান ঘটেছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সেই পুরোনো ও নিষ্পত্তি হওয়া অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ গোপন করে বর্তমানে হুবহু কপি-পেস্ট করে নতুন নতুন ফেসবুক পেজ ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে পুনরায় অপপ্রচার চালাচ্ছে

​অনৈতিক সুবিধা প্রদান না করায় এবং যেকোনো অবৈধ তদবিরে রাজি না হওয়ায় চক্রটি ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কাদা ছোড়াছুড়ি করছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, যখনই এসব মিথ্যা তথ্য প্রচারকারী আইডি বা পেজগুলোর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ দেওয়া হয় বা জিডি করা হয়, তখনই চক্রটি পেজগুলো ডিলিট করে গায়েব হয়ে যায় এবং কিছুদিন পর নতুন পেজ তৈরি করে পুনরায় অপপ্রচার চালাতে থাকে।

​এ বিষয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রশাসনিক প্রয়োজনে সরকারি আদেশে তাঁকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক পদের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে, যা সম্পূর্ণ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত। কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত চক্রটি অতীত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যাকে ধামাচাপা দিয়ে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে তাঁর সুনাম নষ্ট করার চক্রান্ত করছে।

​তিনি সাফ জানিয়ে দেন,”অনলাইনে আড়ালে থেকে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্ল্যাকমেইল করার দিন শেষ। সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও স্থানীয় থানা প্রশাসনের সহযোগিতায় অপপ্রচার চালানো এসব ভুয়া আইডি ও পেজের পেছনের চক্রটিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। যেকোনো মূল্যেই হোক এই সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচার সুনিশ্চিত করা হবে

​একইসাথে দায়িত্বশীল নাগরিক ও সংবাদমাধ্যমসমূহকে কোনো ভিত্তিহীন সোস্যাল মিডিয়া প্রচারণায় কান না দিয়ে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পড়ুন : টঙ্গীতে ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন