৪০০টি পরিবারের এক বছরের দায়িত্ব নিলেন রাশমিকা মান্দানা

দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ৪০০টি পরিবারের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর ব্যয়ভার গ্রহণের এক বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছেন। ‘প্রজেক্ট অন্নপূর্ণা’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় আগামী এক বছর ধরে ধাপে ধাপে এসব পরিবারের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিও বার্তায় রাশমিকা নিজেই এই কর্মসূচির তথ্য প্রকাশ করেন। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময় পর পর ৪০০টি পরিবারের টানা তিন মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের খরচ দেওয়া হবে। ফলে খাদ্য বাবদ বেঁচে যাওয়া টাকা পরিবারগুলো ভবিষ্যতে সঞ্চয় করা কিংবা পারিবারিক কাজে পরিকল্পনা করার সুযোগ পাবে।

এই প্রয়াস প্রসঙ্গে রাশমিকা জানান, পর্দায় অভিনীত চরিত্রগুলো বহু সময় শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনেও গভীর প্রভাব রেখে যায়। তিনি তার আগামী চলচ্চিত্র ‘রানাবালি’-এর ‘জয়াম্মা’ চরিত্রের সাথে নিজের ব্যক্তিত্বের মিলের কথা উল্লেখ করে জানান, মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা তার ভেতরে আগে থেকেই ছিল।

অভিনেত্রী যোগ করেন, আগে তিনি এই ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করতেন না। কিন্তু বর্তমানে তার মনে হয়েছে, নিজের এসব ভালো কাজের কথা ইতিবাচকভাবে জানালে অন্যরাও ছোট ছোট ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন।

রাশমিকার ভাষ্যমতে, ছোট একটি ভালো কাজও কারও জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। এর জন্য বড় কিছু করার প্রয়োজন নেই; ছোট উদ্যোগ দিয়েই শুরু করা যায়। কর্মজীবনে নানা বাধা, শারীরিক আঘাত, কষ্ট, চোখের জল ও নির্ঘুম রাতের অভিজ্ঞতার পর মানুষের মুখের হাসি তার কাছে অমূল্য।

উল্লেখ্য, রাশমিকার এই কল্যাণকর উদ্যোগের ঘোষণার পরপরই তার নতুন ছবি ‘রানাবালি’ প্রেক্ষাগৃহে আসার কথা রয়েছে। পিরিয়ডিক্যাল এই চলচ্চিত্রে তার সাথে অভিনয় করেছেন স্বামী বিজয় দেওরাকোন্ডা। সিনেমাটিতে বিজয় নামভূমিকায় এবং রাশমিকা ‘জয়াম্মা’ চরিত্রে রূপদান করেছেন। ১৮৭০-এর দশকের দক্ষিণ ভারতের পটভূমিতে তৈরি এই সিনেমায় মূলত ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের ভয়াবহ ‘মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ’-এর মর্মান্তিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।

পড়ুন : ইউটিউবার ‘আরএনআর’ এবার শাকিব খানের ‘মহব্বত’ সিনেমার চিত্রনাট্যকার

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন