ধামরাইয়ে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৫ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি

ঢাকার ধামরাইয়ে এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রবিন হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে রবিন হোসেনকে আসামি করে ধামরাই থানায় মামলা করেছেন। তবে মামলা দায়েরের পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের ভুড়বাড়িয়া গ্রামের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রবিন হোসেন ওই গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বিবাহিত এবং কৃষিকাজ করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা বাড়ির পাশে জমিতে কাজ করতে গেলে ওই তরুণী জুতা কেনার জন্য বাড়ির পাশের একটি ভ্যানের কাছে যান। এ সময় রবিন তাকে তার মা ডাকছেন—এ কথা বলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরে বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মেয়েকে বাড়িতে রেখে কাজে যাওয়ার সুযোগে তাকে ডেকে নিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিয়াকত খান বলেন, প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামি রবিন হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন:বইয়ের ভেতর ইয়াবার চালান! নেত্রকোনায় পুলিশের জালে পাচারকারী

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন