গাংনীতে কৃষকের ২৮ কাঠা জমির ফসল কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় এক কৃষকের ২৮ কাঠা জমির মরিচ, পটল ও মিষ্টি কুমড়ার গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক। রবিবার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার কেশবনগর মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ফসল নষ্ট করে দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওই কৃষক। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, কেশবনগর মাঠে তাঁর ২৮ কাঠা জমিতে মরিচ, পটল ও মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছিলেন। এসব ফসল উৎপাদনে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। ফসলগুলো বিক্রি করে সংসারের খরচ মেটানো এবং কৃষিকাজে বিনিয়োগ করা অর্থ তুলে আনার স্বপ্ন ছিল তাঁর। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা জমির ফসল কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। এতে তাঁর প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কৃষক জয়নাল আবেদীন বলেন, জমিতে ফসল ফলাতে তাঁকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের পেছনে অর্থ ব্যয় করে ফসলগুলো বড় করে তুলেছিলেন। এখন ফসল কেটে দেওয়ায় তাঁর সব পরিশ্রমই পণ্ড হয়েছে। এ ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।

এদিকে ফসল নষ্ট করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকতে পারে। কিন্তু সেই শত্রুতার জেরে একজন কৃষকের কষ্টে ফলানো ফসল নষ্ট করে দেওয়া কোনোভাবেই মানবিক কাজ হতে পারে না। কৃষকের ফসলের সঙ্গে এমন শত্রুতা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের ঘটনা কৃষকদের নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, ফসল কেটে নষ্ট করার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বড়লেখায় রাস্তা সংকুচিত করার প্রতিবাদে হামলার চেষ্টা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন