পাবনার সাঁথিয়ায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন (টিআর-কাবিখা) প্রকল্পের শতভাগ কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার পরও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সভাপতি ও ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি সদস্য) বেলাল হোসেন।
অনুসন্ধান ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের জয়নালের বাড়ি থেকে রিপনের বাড়ির অভিমুখী কাঁচা রাস্তাটি ‘হেরিং বন্ড’ (এইচবিবি) করণের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থের বিপরীতে রাস্তার শতভাগ কাজ ইতোমধ্যে মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। কিন্তু একটি মহল বাস্তব চিত্র আড়াল করে ভিন্ন এলাকা বা ভিন্ন রাস্তার ছবি ব্যবহার করে অসত্য তথ্য সংবলিত সংবাদ প্রকাশ করেছে।
প্রকল্পের সুফলভোগী স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল হোসেন বলেন, আমার বাড়ি থেকে রিপনের বাড়ি অভিমুখী রাস্তার কাজ অত্যন্ত সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে। এতে আমাদের যাতায়াতের অনেক বড় সুবিধা হয়েছে।
একই এলাকার বাসিন্দা শিপন হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের চোখের সামনে সুন্দর কাজ হলো, অথচ এটা নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সত্য ঘটনা যাচাই না করে এ ধরনের ভুল খবর প্রকাশ করা পুরো এলাকার জন্যই অত্যন্ত অসম্মানজনক।
এ বিষয়ে ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বেলাল হোসেন জানান, আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহল এ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সরজমিনে এসে সঠিক ঘটনা খতিয়ে দেখার বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হযরত আলী বলেন, আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছি। জয়নালের বাড়ি থেকে রিপনের বাড়ি অভিমুখী রাস্তার কাজটি শতভাগ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। যা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। সংবাদে পাশের গ্রামের একটি কাঁচা রাস্তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। সরজমিনে না এসে বা বাস্তব চিত্র না দেখে এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা মোটেও ঠিক হয়নি।
এ ঘটনায় সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় সচেতন মহল অপপ্রচারের সঠিক তদন্ত এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের জোর দাবি জানিয়েছেন।
পড়ুন : প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা, বিভাগীয় কমিশনার প্রত্যাহার
সা/


