থেমে নেই শাহাজালালের স্পিড বোটে অবাদে মা ইলিশ শিকার

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগ উঠেছে শাহজালাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি পদ্মানদীতে ২০০ সিসির স্পিড বোট নিয়ে মাছ শিকার করতে গিয়ে শাহাজালালের জেলেবাহীনির সাথে সংঘর্ষ বাঁধে মৎস্য অফিস,কোস্ট গার্ড,ও নৌ-পুলিশর সাথে। তখন শাহাজালালের স্পিড বোটে পুলিশের স্পিড বোটের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যায়। তখন স্পিড বোটটি জব্দ করা হয় আর শাহাজালালসহ হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সেসময় পুলিশসহ বিভিন্ন কর্মচারী কর্মকর্তা আহত হয়। তবে ঘটনাটি নিয়ে উপজেলা আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কোন মামলা করা হয়েছে।

বর্তমানে ১১৫ সিসির একটি স্পিডবোট ভাড়া নিয়ে রাতের আঁধারে নদীতে মাছ শিকার করছেন এই শাহাজালাল। একই সঙ্গে মৎস্য অফিসের স্টাফ পরিচয়ে অবৈধভাবে মাছ ধরতে আসা অন্য জেলেদের ধাওয়া করে তাঁদের জাল থেকে ইলিশ নিয়ে আসার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব মাছ ভেদরগঞ্জের চরভাগা ইউনিয়নের দুলারচর ভাঙা স্কুল নামে পরিচিত একটি অস্থায়ী মাছের আড়তসহ বিভিন্ন আড়তে বিক্রি করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে জানা যায়, প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে ওই আড়তে মাছ বিক্রি করেন শাহজালাল। প্রতিদিন তাঁর বিক্রি করা ইলিশের মূল্য ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন আড়তদারের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা বা দাদন নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে গোপন ক্যামেরায় বক্তব্য পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, জব্দ করা বোটের পরিবর্তে এখন ভাড়া করা ১১৫ সিসির আরেকটি স্পিডবোট নিয়ে নদীতে মাছ শিকার করছেন শাহজালাল। একই সময়ে বাদশা নামের আরেক ব্যক্তিও নিজের বোট নিয়ে ইলিশ শিকার করছেন। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসনের তৎপরতা থাকলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

রাজন শেখ নামে একজন দুলারচর ভাঙ্গা স্কুলের মাছ কিনতে আসা এক ব্যক্তি বলেন, মাছ ত শাহাজালাল নামে একজন স্পিড বোট থেকে নামাইলো।পরে আমরা মাছ কিনে এখন চলে যাচ্ছি। শাহাজালাল ৫০ হাজার টাকার মত মাছ বেচে গেলো।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসার আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, এর আগে তার সাথে আমাদের অভিযানের সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাকে ধরা সম্ভব হয়নি। তার স্পিড ভর্তি জব্দ করা হয়েছে। সেখানে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

নৌ-পুলিশের নরশিংহপুর ফাড়ির ইনচার্জ সোহাগ রানা বলেন, শাহজালালের স্পিডবোর্ড জব্দ হয়েছে ও শাহজালাল সেলিম, আলম সহ অজ্ঞাত একটি মামলা হয়েছে। এতদিন রয়েছে। নতুন করে যদি সে আবার নদীতে স্পিডবোর্ড দিয়ে মাছ শিকার করে তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।

পড়ুন : রাতের আঁধারে বনবিভাগের ৩ শতাধিক চারাগাছ কেটে সাবাড়

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন