ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ইমাম মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী ভাতা প্রদান তালিকা তৈরী করতে টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার ৪ নম্বর নিয়ামতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী হিসাব রক্ষক জহুরুল ইসলাম তালিকা তৈরী করতে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে নিয়েছেন বলে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ৪ নম্বর নিয়ামতপুর ইউনিয়নের ১৫টি মসজিদের ৪৫ জন ইমাম মুয়জ্জিন ও খাদেমকে সম্মানীভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়। তাদের তথ্যাদি অনলাইনে অন্তর্ভুক্তি করার জন্য জন প্রতি ১০০ টাকা হারে ৪৫ জনের নিকট থেকে মোট চার হাজার পাঁচশত টাকা নেয়া হয়। এই কাজের জন্য তাদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়ার কথা না থাকলেও কৌশলে তা আদায় করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ইমাম জানান, মোবাইল ফোনে তাদের কে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে যেতে বলা হয়। পরিষদে গেলে অনলাইনে তাদের ছবিসহ তথ্যাদি এন্ট্রি করেন। আর এ কাজের জন্য তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নেন জহুরুল।
এবিষয়ে সহকারী হিসাব রক্ষক জহুরুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠান প্রতি ১০০ টাকা করে দেয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনেকে দেয়নি। সর্বমোট ১২২০ টাকা আদায় হয়েছিল তবে তাদের টাকা ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সম্মানিভাতা প্রদান তালিকা যাচাই বাছাই কমিটির সভাপতি রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, এই কাজের জন্য কোন প্রকার টাকা নেয়ার নিয়ম নেই। যদি কেউ টাকা নিয়ে থাকে তাহলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানান তিনি।
পড়ুন : কালিয়াকৈরে বীর মুক্তিযোদ্ধার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই


