চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় লরিচাপায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছোট কুমিরা রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ইব্রাহিম নামের ৬ বছরের এক শিশু ও স্বপ্না নামের এক নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকি ৩ জনের পরিচয় শনাক্ত কাজ করছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, রাতে বাসযোগে চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনা যাচ্ছিল তারা। পথে কুমিরায় বাসে ত্রুটি দেখা দিলে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে সড়কের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় দ্রুতগতির লরি এসে তাদের চাঁপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে ৩ জন এবং হাসপাতালে আনলে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে এক শিশু, তিনজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এরমধ্যে ফাতেমা (৪০) এবং তার ৮ বছর বয়সী ছেলে রাকিবের নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোণার মদন শিবাশ্রম এলাকায়।
জানা যায়, আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী এক যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিল। গাড়িটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকামুখী একটি লরি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পড়ুন : খালিয়াজুরীতে লোহার পাতে রং করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের


