মির্জাপুরে ১২টি অবৈধ স’মিলের একটিতে উচ্ছেদ অভিযান, বাকিগুলোকে এক মাসের সময়সীমা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দেওহাটা সরকারি হাটের জমিতে অবৈধভাবে স্থাপন করা একটি করাতকল (স’মিল) উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে দেওহাটা কাঠ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে স’মিলটি উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় করাতকলটির বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে। দেওহাটায় থাকা বাকি ১১টি অবৈধ স’মিলের মালিকদের এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জহিরুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদ রেজা, বাঁশতৈল রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা (বাঁশতৈল সদর বিট) এস এম আব্দুর রশিদ এবং মির্জাপুর থানা-পুলিশের সদস্যরা।

বাঁশতৈল রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রশিদ বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত করাতকলটির বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেওহাটা সরকারি হাটের জমিতে সম্প্রতি করাতকলটি স্থাপন করা হয়েছিল। এটি উপজেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি কাজী সাইদুর রহমানের বলে জানা গেছে।

তবে এ উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাজী সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, দেওহাটায় মোট ১২টি করাতকল রয়েছে, যার মধ্যে একটি তাঁর। অন্য ১১টি করাতকল বৈধ হলে তাঁর করাতকলটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হলো, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জহিরুল আলম বলেন, সরকারি হাটের জমিতে করাতকল স্থাপন করায় সেটির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। দেওহাটার বাকি ১১টি অবৈধ করাতকলের মালিকদের এক মাসের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া উপজেলার অন্যান্য এলাকায় থাকা অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

পড়ুন : জাতীয় গ্রিড পুনরুদ্ধার শেষ, পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন