‎পটিয়ায় বিরোধপূর্ণ জমিতে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের অভিযোগ, পুলিশের বাধা‎

চট্টগ্রামের পটিয়ায় আদালতে মামলা চলমান একটি জমিতে সরকারি বরাদ্দের দুই লাখ টাকা দিয়ে রিটেইনিং ওয়াল (প্রতিরক্ষাদেয়াল) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা দাবি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহাম্মদ নূর নামে এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
‎
‎অভিযোগকারী আহাম্মদ নূর পটিয়া উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, আশিয়া মৌজার আরএস ৬৫৪ নম্বর দাগের জমির মালিকানা নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ১৮১৫৪/২০২৫ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে।
‎
‎অভিযোগে বলা হয়, ওই জমিতে ‘সিদরাতুল মুনতাহা জামে মসজিদ’ নির্মাণের পর মসজিদের কবরস্থান ভাঙনরোধের কথা বলে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ বরাদ্দের আওতায় জমির উত্তর পাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
‎
‎আহাম্মদ নূরের অভিযোগ, গত ২২ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে ঠিকাদার জমির উদ্দিন পাম্পের সাহায্যে তাঁর দাবি করা পুকুরের পানি সেচ দিতে শুরু করেন। এ সময় তিনি পানি সেচের কারণ জানতে চাইলে সরকারি বরাদ্দের বিষয়টি জানতে পারেন। পরে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানালেও তা উপেক্ষা করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
‎
‎পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে পটিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অভিযোগকারীর বক্তব্য ও কাগজপত্র পরিদর্শনের পর পুলিশ নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎
‎এ ছাড়া জমিতে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণে বাধা দেওয়ায় তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আহাম্মদ নূর। এ বিষয়ে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দুই লাখ টাকার বরাদ্দ বাতিল এবং আদালতে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার আবেদন করেছেন।
‎
‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৌশিকের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎
‎অন্যদিকে ঠিকাদার জমির উদ্দিন বলেন, “দুই পক্ষের বিরোধের কারণে আপাতত কাজটি বন্ধ রেখেছি। উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং বিরোধপূর্ণ জায়গায় কোনো আইনি বাধা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে জেলা পরিষদ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু

সা/
‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন