দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ৭৯ রান, বাংলাদেশের লিড ১০৬ রানের

মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়েছে খেলা। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৭৯ রান। আর টাইগাররা লিড নিয়েছে ১০৬ রানের।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাই বাজে হয় বাংলাদেশের। ব্যক্তিগত রানের খাতা খোলার আগেই শামার জোসেফের লেগ স্টাম্পের ফুল লেন্থের বল ফ্লিক করতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিম। আগের ইনিংসে ৭ রান করা এই ওপেনার এবার নিজের শূন্য এবং দলীয় ১ রানেই সাজঘরে ফেরেন।

এরপর শান্ত-সাদমান জুটিতে বাংলাদেশের লিড ৫০ পেরোয়। কিন্তু ইনিংসের ১১তম ওভারেই নতুন করে হোঁচট খায় স্বাগতিকরা। তিন বলের ব্যবধানে আউট হলেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান সাদমান ও হৃদয়। ৩০ বলে ১৩ রান করে চেজের বলে বোল্ড হন সাদমান। আর হৃদয় এক বল ডিফেন্ড করার পর ক্যারিবীয়দের চাপে ফেলার চেষ্টায় বড় শট খেলার চেষ্টার করেন। কিন্তু ব্যাট-বলে ঠিকঠাক না হওয়ায় জোসেফকে ক্যাচ তুলে দেন মিড-অনে। আগের ইনিংসে ৪২ রানের পর এবার করেন ০।

শান্ত ফেরার পর ফিল্ডিংয়ের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া মুমিনুল হকের কানকাশন বদলি হিসেবে ব্যাটিংয়ে নামেন জাকের আলি অনিক। দলের খাতায় আর ১ রান যোগ হতেই মিরপুরে বৃষ্টি নামে। ফলে আগেভাগেই দেওয়া হয় চা বিরতি। এর আগে বাংলাদেশ ৩৪ রান নিতেই ৪ উইকেট হারায়।

অন্যদিকে, ৪ উইকেটে ১৩৪ রানের পর আজ (শুক্রবার) তৃতীয় দিনে খেলতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে প্রথমে হাফসেঞ্চুরি করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল। ১৮৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করার পর তাকে স্লিপে শান্ত’র ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন শরিফুল ‍ইসলাম। এর আগে তিনি জাস্টিন গ্রিভসের সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। গ্রিভসও একবার লাইফ পেয়েছেন মুমিনুল সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেওয়ায়। পরে নাঈমের অফসুইংয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে তিনি ১০৩ বলে ২ চারে ৪৬ রানে ফিরেছেন।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে বাংলাদেশ বেশিরভাগ ওভার করিয়েছে দুই অফস্পিনার দিয়ে। তারা ভাগাভাগি করে বাকি ৪ উইকেট তুলে নেন। অভিষিক্ত ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার জশুয়া বিশপ নেমেই তিনটি চার মেরেছেন, তবে ১৫ রানেই তাকে ফিরতে হলো মিরাজের বলে স্টাম্পিং হয়ে। এরপর শামার জোসেফকে (৪) উইকেটকিপার লিটনের হাতে, জোমেল ওয়ারিকানকে (০) এলবিডব্লিউ এবং জেইডেন সিলসকে (০) মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে ফেরালেন নাঈম হাসান।

বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ৫০ ‍উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করা নাঈমের শিকার ৪ উইকেট। এ ছাড়াও মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন। হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম নেন ১টি করে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা সাদমানই বড় আশা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন