আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেন। ফলাফল ঘোষণার পর শিক্ষামন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্তব্য করেন, “ফলাফল আমাদের সন্তোষজনক হয়নি।” পরবর্তীতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই সমস্যা দূর করতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কলেজ গড়ে উঠেছে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো রাতারাতি বন্ধ না করে পাশের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার পরিকল্পনা সরকার বিবেচনা করছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের চাকরি হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই বলে তিনি স্পষ্ট আশ্বস্ত করেন।
ফলাফলের চিত্র ও পুনঃপরীক্ষার সুযোগ
এ বছর সার্বিক পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশে, যা বিগত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া সারাদেশে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন এবং জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে (গত বছরের চেয়ে ২৯ হাজার ১৩ জন কম)।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও নিশ্চিত করেন, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। পাশাপাশি ফেল করা শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে কেবল অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
পড়ুন : পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ এগিয়ে ছেলেরা
সা/


