মাদককে না বলুন, অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ুন এই স্লোগানকে সামনে রেখে নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধ দমনে এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা। শহর থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ, অলিগলি—সর্বত্র মাদকবিরোধী সমাবেশ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে তিনি এখন স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে এক আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
যোগদানের পর থেকেই মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। তাঁর সুদৃঢ় বিশ্বাস, সমাজ থেকে মাদক সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব হলে চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য ছোট-বড় অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশেই কমে যাবে। আর এই লক্ষ্যেই তিনি দিনরাত এক করে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন
গতানুগতিক পুলিশিংয়ের বাইরে গিয়ে ওসি রেজাউল করিম রেজা নিজেই ছুটে বেড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক, তরুণ সমাজকে নিয়ে সচেতনতামূলক সভা এবং গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন তিনি। মাদকের অন্ধকার জগৎ থেকে যুবসমাজকে ফিরিয়ে আনতে তার এই নিরলস প্রচেষ্টা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় বিশিষ্টজনদের মতে, ওসি সাহেবের এমন সরাসরি সম্পৃক্ততা ও আন্তরিক উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের পুলিশ সম্পর্কে ধারণার ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। অপরাধীরা এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং জনমনে ফিরে এসেছে স্বস্তি।
ওসি রেজাউল করিম মনে করেন, অপরাধের মূল শেকড় হলো মাদক। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরাই মূলত পেটের টানে বা নেশার টাকার জন্য চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। তাই এই চক্র ভাঙতে হলে সবার আগে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তাঁর এই দূরদর্শী ভাবনাই বর্তমানে সৈয়দপুর থানাধীন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছে।
সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহলের আশা, ওসি রেজাউল করিম রেজার এই দৃঢ় নেতৃত্ব ও অক্লান্ত পরিশ্রম অব্যাহত থাকলে সৈয়দপুর থানা এলাকা অচিরেই একটি সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত ও নিরাপদ জনপদে রূপ নেবে।
পড়ুন : শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা থামবে না: জাহেদ উর রহমান
সা/


